সম্মানিত
অভিভাবকদের করণীয়
অভিভাবকের
উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সম্ভব্য-
(মাতা-পিতা
এবং অভিভাবকদের নিম্নবর্ণিত ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আন্তরিক সহযোগিতা করতে
অনুরোধ করা হচ্ছে।)
১।
ছাত্রীবৃন্দ যেন প্রত্যহ্ সময়মত (সকাল ১০.১০ মিঃ) বিদ্যালয় সমাবেশে উপস্থিত হয়-
এ ব্যাপারে সচেতন থাকবেন।
২। ছাত্রীর ডায়েরী পরিচিতি পাতায় অভিভাবকের নাম, পেশা, ঠিকানা ও নমুনা স্বাক্ষর
থাকবে। উক্ত ডায়েরী ছাত্রীর যাবতীয় বিষয়ে অবহিত হওয়ার মাধ্যম হিসেবে অভিভাবক
প্রতিদিনের পাঠোন্নতি, নিয়মিত উপস্থিত সম্পর্কে নিশ্চিত হবেন। তাছাড়া সাময়িক
পরীক্ষার পর ডায়েরী নিরীক্ষিত় হলে এটি অভিভাবক দেখবেন এবং স্বাক্ষর করবেন।
৩। বাড়ির কাজ ও অনুশীলনীগুলো ছাত্রী ডায়েরীতে যথারীতি লিখছে কিনা সে সম্পর্কে
খোঁজ নিবেন।
৪। সপ্তাহে অন্ততঃ একবার পাঠোন্নতি, আচার-আচরণ উপস্থিতি এবং শ্রেণিতে প্রাপ্ত
বিষয়ভিত্তিক নম্বর ও মন্তব্য (যদি থাকে) দেখে মেয়ের সামগ্রিক উন্নতির জন্য
প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।
৫। প্রতিষ্ঠানের ইউনিফর্ম , পাঠ্যপুস্তক, শ্রেণি ও বাড়ির কাজের খাতা যাতে পরিপাটি
এবং পরিচ্ছন্ন হয়, সে ব্যাপারে ছাত্রীকে উৎসাহ প্রদান করবেন।
৬। স্কুল ও কলেজের সাথে সর্বপ্রকার যোগাযোগের সময় ছাত্রী সম্পূর্ণ নাম, শ্রেণি,
শাখা, রোল নং এবং আইডি নাম্বার দিতে হবে।
৭। প্রত্যেক ছাত্রীর উপস্থিতি কার্যদিবসের ৮০% এর কম হলে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত
হবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। একই শ্রেণিতে দুই বৎসর অনুত্তীর্ণ ছাত্রীর
জন্য কোন সুপারিশ গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না এবং উক্ত ছাত্রীকে ছাড়পত্র দিয়ে
বিদায় করা হবে।
৮। ছাএীর ডায়েরী হারালে অভিভাবক কর্তৃক ডায়েরী হারানোর যুক্তিসঙ্গত কারণ সম্বলিত
আবেদনপত্রসহ ১০০.০০ টাকা জমা দিয়ে আরেকটি ডায়েরী সংগ্রহ করতে হবে। অর্ধবার্ষিক/
প্রাক-নির্বাচনী ও বার্ষিক/নির্বাচনী পরীক্ষা আরম্ভ হবার পূর্বে ডায়েরী শ্রেণি
শিক্ষকের নিকট জমা না দিলে ফলাফল স্থগিত থাকবে।
৯। মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে বেতনসহ যাবতীয় ফি পরিশোধ করতে হবে। কোন কারণে
নির্ধারিত তারিখে বিদ্যালয় বন্ধ থাকলে পরবর্তী খোলার তারিখে বেতনসহ যাবতীয় ফি
পরিশোধ করতে হবে। পর পর তিন মাস বেতনসহ যাবতীয় ফি অপরিশোধিত থাকলে পুনঃভর্তি ফিসহ
অবশ্যই বেতন ও যাবতীয় ফি পরিশোধ করতে হবে।
১০। স্কুল ও কলেজ চলাকালীন কোন অভিভাবক স্কুল প্রাঙ্গণে থাকা নিষেধ।
১১। ছাত্রীর যেকোন অনুপস্থিতির জন্য অভিভাবকের চিঠি ছাড়া শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ
নিষিদ্ধ।
১২। বিনা কারণে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে প্রতিদিন অনুপস্থিতির জন্য নির্ধারিত
হারে জরিমানা দিতে হবে।
১৩। অসুস্থতার কারণে ৩ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকলে দরখাস্তের সাথে ডাক্তারের
সার্টিফিকেট দিতে হবে। পূর্ব অবগতি বা অনুমতি ছাড়া কোন ছাত্রী তিন মাস অনুপস্থিত
থাকলে তার ভর্তি বাতিল হবে।
১৪। প্রতিষ্ঠানে আসার পর বিশেষ অসুস্থতা ছাড়া কোন কারণে ছুটির প্রয়োজন হলে
অভিভাবকের স্বহস্তে দরখাস্ত দিতে হবে।
১৫। ছাড়পত্র(T.C) নেবার সমযে় অধ্যক্ষের কাছে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে এবং
ছাড়পত্রের ফি (এক মাসের বেতনের সমান) সহ যে মাসে ছাড়পত্র (T.C) নেয়া হবে, সেই
মাস পর্যন্ত সকল দেয় টাকা পরিশোধ করতে হবে।
১৬। প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ ক্লাসে অংশগ্রহণ করা এবং বিষয়ভিত্তিক
শিক্ষকের নির্দেশমতো পড়াশুনা করে নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে আসা নিশ্চিত করতে হবে।
অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎকারঃ
দিনঃ রবি, সোম,
মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার
সকালঃ বেলা ১২টা
থেকে ১.৩০মিঃ পর্যন্ত।